কুরবানীর পশু এবং তার মধ্যে শরীক হওয়া

Spread the love

♦ যদি  কোনো অধিক সম্পদশালী লোক শুধু একটি বকরী বা বড় জন্তু থেকে মাত্র একটা অংশ দেয়, তাহলেও তার ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে। (কিফায়াতুল মুফতী : ৮/১৯৮)

♦ কবরী বা খাসী, দুম্বা, ভেঁড়া গাভী, ষাঁড়, বলদ. মহিষ, উট, উটনী এদের প্রত্যেক নর-মাদী দ্বারা কুরবানী করা জায়েয এবং এগুলোই কুরবানীর জন্তু। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া : ৬/১৯৯)

♦ এ পশুগুলো ব্যতীত বন্যজাতীয় জন্ত যেমন হরিণ, নীলগাই ইত্যাদি দ্বারা কুরবানী জায়েয নয়। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া : ৬/১৮৯)

♦ বকরী, খাসী, দুম্বা, ভেঁড়া, নর-মাদী দ্বারা কেবলমাত্র এক নামে একজনই কুরবানী করতে পারে। (ফাতাওয়ায়ে শামী ; ৫/২০১)

♦ যদি এগুলো দ্বারা একাধিক ব্যক্তি ওয়াজিব কুরবানী করে, তাহলে আদায় হবে না। (ফাতাওয়ায়ে শামী ; ৫/২০১)

♦ গাভী,, বলদ, ষাড়, মহিষ ও উটের মধ্যে এক থেকে সাতজন লোক কুরবানী করতে পারে। (ফাতাওয়ায়ে শামী : ৫/২০০)

♦ একটা পূর্ণাঙ্গ খাসী দ্বারা ‍কুরবানী করা উত্তম যখন তার মূল্য গরু ইত্যাদির সাত ভাগের এক অংশের সমান অথবা বেশি হয়। (মাহমূদিয়া : ৪/৩০১)

♦ নর ও মাদী জন্তুর মধ্যে যদি উভয়ের মূল্য ও গোশত সমান হয়, তাহলে মাদী পশু দ্বারা কুরবানী উত্তম। (শামী : ৫/২০৫)


Spread the love

Leave a Comment